Request A Demo

sokrioadm
November 2, 2021

আপনার ব্যবসার জন্য কেন রিটেইল আউটলেট ম্যাপিং দরকার

অতি প্রতিযোগিতামূলক খুচরা বাজারের যুগে, আপনার সেলস চ্যানেল এবং বিতরণ ব্যবস্থার জন্য সময় উপযোগী পরিবর্তন গুলো নিশ্চিত করা অপরিহার্য।তাই আজকের খুচরা বাজারের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশে টিকে থাকার জন্য  একটি কৌশলগত পরিকল্পনা থাকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ।  

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রয়েছে  বিক্রয়কেন্দ্র/পয়েন্টগুলোকে জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে আউটলেট ম্যাপিং এর আওতায় আনা ও একই  সাথে এদের  লেনদেনের কার্যাবলী সংরক্ষন করে রাখা। 

রিটেইল চ্যানেল আউটলেট ম্যাপিং হল একটি কোম্পানির পণ্য কোন কোন খুচরা দোকানগুলিতে বিক্রি করা হয় সেই অবস্থানগুলোকে একটি ম্যাপে চিহ্নিত করার মাধ্যমে তুলে ধরা।যেমন: একজন সেলস রেপ সপ্তাহে ৩ টা  আলাদা রুট ভিজিট করলে ,সাধারনত যেই রুটে সর্বাধিক আউটলেট ভিজিট হয়েছে সেই রুটে মুনাফাও সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে।  কোন রুট  সবচেয়ে লাভজনক তা বিশ্লেষণের কাজে রিটেইল ম্যাপিং অন্যতম প্রাথমিক কাজ। 

একটি ভাল ম্যাপিং এর বৈশিষ্ট্য হলো যে, এটি মাঠ পর্যায়ের সাপ্লাই চেইন  অপারেশন সাথে জড়িত সকল তথ্যকে সংগ্রহ করবে ও তুলে ধরবে। খুচরা বিক্রেতা, পাইকারী বিক্রেতা এবং বিতরণকারীদের সবাইকে এই প্রক্রিয়ার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি যার ফলশ্রুতিতে আপনি  আউটলেট ম্যাপিং এর  সর্বাধিক সুবিধা পেয়ে থাকবেন । 

রিটেইল চ্যানেল আউটলেট ম্যাপিং কি?

এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সাপ্লাই চেইন অপারেশনের কোথায় কোথায়  আপনার পণ্যগুলো বিক্রি হয় তা বোঝা যায়। প্রতিটি দোকান বা  রিটেইল আউটলেট এবং প্রতিটি ডিলার বা ডিস্ট্রিবিউটর যার মাধ্যমে আপনার পণ্য রিটেইলারদের কাছে পৌঁছায় তা এই ম্যাপিং এর অন্তৰ্ভুক্ত করা হয়। 

উৎপাদনকারী কোম্পানি , পাইকারী বিক্রেতা, বা ডিলারদের  জন্য একটি সঠিক ম্যাপ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ যে লোকেশন গুলো থেকে তারা সবচেয়ে বেশি আয় করছে তা নির্ভুলভাবে তুলে ধরে। 

যেমন :কোন  ডিলার সবচেয়ে বেশি বিক্রি করছে সেই তথ্য জানার ফলে তার অধীনস্থ রুটে যে বিক্রির পরিমান বেশি তা সহজেই অনুমান করতে পারবেন। এর মাধ্যমে  পাওয়া তথ্যগুলোকে ব্যবহার করে একটি কোম্পানি আরো কোন কোন উপায়ে  ব্যবসায় লাভজনক অবস্থায় আসা যায় খুব নির্ণয় করতে পারে। 

আপনার ব্যবসার বিতরণ ব্যবস্থা কিভাবে কাজ করছে, কোথাও কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা, এবং সেলসের ভ্যালু চেইনে কি কি পরিবর্তন আনা দরকার তা পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নিয়ে এই প্রক্রিয়া সহায়ক হিসাবে কাজ করে। যেমনঃ কোনো একটা নির্দিষ্ট এলাকায়  কতোগুলো আউটলেট এর বিপরীতে কি পরিমান পণ্য যাচ্ছে ,সেই ডাটা এনালাইসিস করে আপনি বুঝতে পারবেন  যে,ওই এলাকায় বসবাসরত জনসংখ্যার প্রেক্ষিতে এই পরিমান পণ্যের চালান আদৌ কম নাকি বেশি। এই পদ্ধতিতে পাওয়া তথ্যগুলো ব্যবহার করে আপনি ওই এলাকার জন্য ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট, রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট এবং অন্যান্য কার্যাবলিও সমন্বয় করতে পারবেন। 

এটা কেন গুরুত্বপূর্ণ ও এর মধ্যে কি কি অন্তর্ভুক্ত আছে

একটি কোম্পানির কোন চ্যানেলটি সবচেয়ে বেশি লাভজনক তা খুঁজে বের করতে  সহায়তা করে চ্যানেল আউটলেট ম্যাপিং। কোন রুটে  কোন পণ্য বেশি বিক্রি হয়, কিভাবে বিক্রয় কর্মীরা  রুট প্ল্যানিং অনুযায়ী দৈনন্দিন মার্কেট ভিজিট করবে, এবং কিভাবে প্রমোশনাল ক্যাম্পেইন আরো ভালো ভাবে সাজাতে হবে এই বিষয়গুলো পর্যবেক্ষন করে সিদ্ধান্ত নিতেও সাহায্য করে থাকে।  

উদাহরণস্বরূপ, আপনার কোম্পানির সীমিত সংখ্যক ডিলার আছে, তবে ঠিক বুঝতে পারছেন না পরবর্তী ডীলার কোথায় নিয়োগ দিলে সবচেয়ে বেশি লাভজনক হবে। যদি যথাযথ রিটেইলার ম্যাপিং করেন এবং তার ভিত্তিতে আপনার বিক্রয়কে এলাকাভিত্তিক পর্যবক্ষণ করেন, তবে তা কোন নির্দিষ্ট এলাকায় পণ্যের বাড়তি চাহিদা রয়েছে তা বুঝতে সহায়তা করবে, সেক্ষেত্রে আপনি ওই এলাকাকে কেন্দ্র করে আরও ডিলার পয়েন্ট খোলার জন্য বিনিয়োগ করতে পারেন। এই প্রক্রিয়ায় আপনি বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা ও সেলস ডিমান্ড বুঝতে পারেন এবং সেই অনুযায়ী দ্রুত ও সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। 

অবস্থানগত তথ্য

আউটবাউন্ড লজিস্টিকস অর্থাৎ ফ্যাক্টরিতে উৎপাদিত পণ্য কিভাবে সর্বশেষ ভোক্তার কাছে পৌঁছাবে  সেই কৌশলের পরিকল্পনা করার সময় খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রের অবস্থান জানা খুবই জরুরি। পণ্যসহ অন্যান্য মালামাল ঠিক কোন এলাকার কোন পয়েন্টে যাচ্ছে তা যদি আপনি জানেন, তাহলে যথাযথ ডেলিভারি প্ল্যান করে ডিলার ও রিটেইলার পয়েন্টগুলোকে সঠিকভাবে সমন্বয় করে ডেলিভারির সময় কমিয়ে দ্রুততার সাথে ডেলিভারি সম্পন্ন করতে পারবেন। এতে আপনার পণ্য বিক্রেতার হাতে দ্রুত পৌছানোর পাশাপাশি আপনার ডেলিভারি খরচও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। এই পদ্ধতি যথাযথভাবে অনুসরণ করলে আপনার সেলস টিমকে কোন এলাকায় অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত তা নির্ধারণ করতে এটা যেমন সহায়তা করে, একই সাথে আপনাকে বিভিন্ন স্থানে ভোক্তাদের মধ্যে কোন ধরণের পণ্য সবচেয়ে জনপ্রিয় তা সম্পর্কেও তথ্য সহজেই বের করে আনা সম্ভব। 

লেনদেন ট্র্যাকিং

আউটলেট ভিত্তিক ইনভয়েস ট্র্যাকিং করলে কোন আউটলেটে কোন পণ্য কি পরিমান বিক্রি হচ্ছে তা সহজেই বোঝা যায়। 

এই তথ্যগুলো জানাতে পারলে কোম্পানিগুলো তাদের সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট প্রসেস সঠিকভাবে সম্পন্বয় করতে পারবেন। পরবর্তীতে ডেটা এনালাইসিসের মাধ্যমে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত যেমন কোন ডীলারের কাছে কোন পণ্যের মজুদ বেশি রাখা, বিশেষ কোন পণ্যের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোড় সিদ্ধান্ত নেয়া ইত্যাদি ব্যাপারে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে।  

অলাভজনক আউটলেটগুলি চিহ্নিত করুন

কোনো একটি নির্দিষ্ট এলাকায় যদি অন্যদের তুলনায় ধারাবাহিকভাবে কম বিক্রি হয়ে থাকে, যথাযথ আউটলেট ম্যাপিং করা থাকলে সেই আউটলেটগুলোকে খুব সহজেই চিহ্নিত করতে পারবেন। কোন কোন পণ্য কি পরিমানে বিক্রি হয়েছে সেই তথ্য পর্যবেক্ষন করে সেই আউটলেট গুলোতে বিক্রি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করতে পারবেন (যেমন, বিজ্ঞাপনের বাজেট বাড়ানো যেতে পারে, অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করা যেতে পারে, বা অলাভজনক পয়েন্টগুলিতে পণ্য সরবরাহ  সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা যেতে পারে ইত্যাদি)। যথাযথ ম্যাপিং এই ডিসিশনগুলি আপনাকে দ্রুততার সাথে নিতে সহায়তা করবে। 

বিক্রয় পর্যবেক্ষণ 

প্রতিটি আউটলেটে কি পরিমান বিক্রি হচ্ছে  তা জেনে খুচরা বিক্রেতাদের বিক্রয় সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ করা যায়। ফলশ্রুতিতে পূর্ববর্তী বছরের তথ্যের সাথে এই সংখ্যাগুলির তুলনা করে, কোম্পানির লক্ষ্য পূরণে সফল হয়েছে কিনা তা সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায় । তাছাড়াও বিভিন্ন এলাকা,পণ্য ও  ক্যাটাগরি অনুযায়ীও বিক্রয় বিশ্লেষণ করা যায়। 

পণ্যের বিকল্প বিতরণ পদ্ধতি বিবেচনাকরন

আপনার বর্তমান বিতরণ কৌশল কাজ করছে না এমন এলাকাগুলি চিহ্নিত করে, সেখানে বিকল্প পদ্ধতি গ্রহণ করতে আউটলেট ম্যাপিং আপনাকে সহায়তা করবে। যেমন নতুন রুট পরিকল্পনা করা, একটি বিশেষ রুটে নতুন পণ্য পরীক্ষা করে তা বিশ্লেষণ করে দেখা সহ অন্যান্য পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে। এতে করে বিকল্প পদ্ধতি গুলো পরীক্ষা করা হবে এবং কোথায় কোন পদ্ধতি প্রয়োগ করলে সাফল্য আসবে তা সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা পাবেন। 

আপনার ব্যবসার জন্য একটি রিটেইল  চ্যানেল আউটলেট ম্যাপিং প্রক্রিয়া ব্যবহারের সুবিধাসমূহ :

রিটেইল  আউটলেট ম্যাপিং প্রক্রিয়ার ফলে খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রগুলোর অবস্থান গত তথ্যের সাথে প্রত্যেকটা পয়েন্টের লেনদেনের তথ্যও উঠে আসে । এই তথ্যগুলো ব্যবহার করে  আপনার ব্যবসার  কৌশলগত পরিকল্পনা আরো সহজতর হবে যা  পরবর্তীতে, আপনার কোম্পানিকে  আরও কার্যকরভাবে সেলস টার্গেট অর্জন করতে সাহায্য করবে ।

একটি ভাল রিটেইল আউটলেট ম্যাপিং সিস্টেম নিম্নোক্ত ফিচারের  সমন্বয়ে হওয়া উচিত : 

আপনার বিতরণ নেটওয়ার্ক জুড়ে পণ্য প্রবাহ

আপনার পণ্যের রিটেইল আউটলেটগুলি ম্যাপিং করার একটি বড় সুবিধা হল আপনার পণ্যগুলি  পুরো সিস্টেম জুড়ে কীভাবে যাচ্ছে তা বুঝতে পারবেন। 

ডিলারের ওয়্যারহাউস থেকে বিক্রির পরে পণ্যগুলি কোথায় যায় এবং খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রে পৌঁছাতে কত সময় লাগে তা আপনি সরাসরি  দেখতে পারবেন । আবার, যদি আপনার খুচরা পয়েন্টগুলোর লোকেশনের সঠিক তথ্য থাকে, তাহলে আপনি আরও ভাল রুট পরিকল্পনা করতে পারবেন যা আপনাকে দ্রুত পণ্য পৌঁছুতে সহায়তা করবে ,ফলে যানজট এড়াতে পারবেন ও জ্বালানি খরচ বাঁচাতে সাহায্য করবে।

এই বিশ্লেষণ গুলোর মাধ্যমে  আপনি জানতে পারবেন যে ,আপনার  প্রতিষ্ঠান কতটা দক্ষতার সাথে কাজ করছে । সঠিক ডেটার সাহায্যে, আপনি ওভারস্টকিং এবং ইনভেন্টরির সাথে সম্পর্কিত অতিরিক্ত খরচ কমানোর কমানোর পাশাপাশি দক্ষতাও বৃদ্ধি করতে পারবেন ।

খুচরা বিক্রেতার সেলস ট্রেন্ড  এবং পূর্বাভাস

খুচরা বিক্রেতার সেলস ট্রেন্ড  রিপোর্ট একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই আউটলেটের সামগ্রিক বিক্রি দেখায়। এটার মাধ্যমে পূর্বে দেখানো পূর্বাভাসের সাথে প্রকৃত ফলাফলের তুলনা করা যায়। 

আপনি নিম্নলিখিত প্রতিবেদনগুলি দেখতে পারেন:

সেলস ট্রেন্ড রিপোর্ট – কোনো এলাকায় মাসিক বিক্রয় কত, কোন বিক্রয়কর্মীর মাসিক বিক্রয় কতো, কোন রুট অথবা এলাকা থেকে মাসে মোট কতো বিক্রি হয়েছে ইত্যাদি রিপোর্ট দেখতে পারবেন। 

বিক্রয় পূর্বাভাস রিপোর্ট – কোন এলাকায় কোন মাসে কোন পণ্য কি পরিমাণে বিক্রি হতে পারে পূর্ববর্তী মাসগুলোর বিক্রয় পরিমাণ বিশ্লেষণ করে আগামী মাসগুলোর প্রত্যাশিত বিক্রয় সম্পর্কে বিস্তারিত ধরণা পেতে পারবেন। 

ক্যাটাগরি পারফরমেন্স রিপোর্ট – ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিক্রির তথ্য দেখা, কোন ক্যাটাগরির পণ্য সবচেয়ে বেশি বিক্রয় হচ্ছে, এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক মেট্রিক সহ সেলসের গুরুত্বপূর্ন তথ্যসমূহ পেতে পারেন।

ডিলারের/ডিস্ট্রিবিউটরের  ইনভেন্টরির হিসাব 

প্রতিটি ডিস্ট্রিবিউটরের ইনভেন্টরি তথ্য জেনে আপনি সহজেই যে কোনো পণ্যের চাহিদার ওঠানামা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। ইনভেন্টরি স্ট্যাটাস রিপোর্ট হতে প্রতিটি আইটেমের জন্য ইনভেন্টরির বর্তমান অবস্থা/হিসাব জেনে নিতে পারবেন।

পূর্বের এই তথ্যগুলো জানার ফলে, আপনি নিশ্চিত করতে পারেন যে আপনার কাছে সবসময় গ্রাহকের চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত পণ্য রয়েছে। তা ছাড়াও এটা আপনাকে সহজেই  এমন আইটেমগুলি সনাক্ত করে দিবে যার বর্তমানে মজুদ কম  এবং শীঘ্রই সেটার মজুদ নিশ্চিত করতে হবে।

ফলস্বরূপ, এটার মাধ্যমে  খুব দ্রুতই আপনি ভোক্তাদের চাহিদা  অনুযায়ী কোন পণ্য বছরের কোন সময় বেশি চলে সেই হিসাব জেনে নিতে পারবেন । ফলশ্রুতিতে আপনি প্রয়োজন অনুযায়ী আপনার ব্যবসায়িক কার্যকলাপ গুলো সামঞ্জস্য করতে পারবেন। 

ডিলারের পারফরম্যান্স

ডিলার পারফর্মেন্স রিপোর্টের মাধ্যমে কোন ডিলার কি পরিমান লেনদেন করেছে তার সমস্ত  তথ্য দেখা যাবে। সেখানে থেকে পূর্ববর্তী বছরের পরিসংখ্যানের সাথে এই বর্তমান সংখ্যাগুলির তুলনা করে, কোন ডিলার কেমন বিক্রি করছে এবং ভবিষ্যতে কেমন বিক্রয় হবে সেই প্রবণতার পূর্বাভাস পেতে পারেন। 

উদাহরণস্বরূপ, আপনি লক্ষ্য করতে পারেন যে কিছু নির্দিষ্ট ডিলার  নিয়মিত প্রত্যাশা থেকে কম বিক্রি করে থাকেন । প্রায়ই যদি এমন হয়ে থাকে, আপনি তখন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। 

আর যদি অতীত এবং বর্তমান বছরের পরিসংখ্যানের মধ্যে কোন উল্লেখযোগ্য পার্থক্য না থাকে, তাহলে আপনি সম্ভবত সবকিছু ঠিকঠাক করছেন সেটাও বুঝতে পারবেন; এবং সেখান থেকে কিভাবে আরো উন্নতি করা যায় তা নিয়ে আরো জোরেশোরে কাজ করতে পারবেন। 

শেষ কথা 

মুনাফা অর্জনের জন্য আপনার ব্যবসাকে কীভাবে পরিবর্তন করতে হবে সে সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কখনই সহজ নয়। সেই লক্ষকে সামনে রেখে আপনার প্রতিষ্ঠানের উন্নতির জন্য ‘রিটেইল চ্যানেল আউটলেট ম্যাপিং’ এমন একটা প্রক্রিয়া, যা যদি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয় তবে তা ব্যবসায়ে সাফল্য এনে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ম্যাপিং প্রক্রিয়া প্রতিটি রিটেইল পয়েন্টের তথ্য সংগ্রহ করে যা মার্কেট সেলস এনালাইসিস করতে সাহায্য করে এবং বিভিন্ন উপায়ে  ডিস্ট্রিবিউশন প্রক্রিয়াকে  উন্নত করতে সাহায্য করে। । এতে করে  আপনি জানেন যে কখন এবং কী পদক্ষেপ নিলে  খুচরা বিক্রয় কেন্দ্ৰ গুলো থেকে  সর্বাধিক লাভ নিশ্চিত করা যায়। তাই রিটেইল আউটলেট ম্যাপিং আপনার ব্যবসার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসাবে বিবেচনা করা উচিত। 

Writen By

sokrioadm

Get A Comments

Request For Demo

Start Your Journey to Better Business
With Sokrio